প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার , ২৪ জুলাই , ২০২৫
সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর গেজেট প্রকাশ করেছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। বুধবার (২৩ জুলাই) রাতে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, এই অধ্যাদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে ৩ জুলাই সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশের অনুমোদন দেয় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। এরপর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং শেষে অধ্যাদেশটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২২ মে সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ।
গেজেট অনুযায়ী, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৭ক পুনর্গঠন করে নতুনভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। সংশোধিত ধারায় বলা হয়েছে :
৩৭ক। সরকারি কর্মচারীদের আচরণ ও দণ্ড সংক্রান্ত বিশেষ বিধান :
এই আইন বা অধীনস্থ বিধিমালায় যা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী—
- ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ অমান্য করেন,
- আইনসংগত কারণ ছাড়া সরকারের কোনো আদেশ, পরিপত্র বা নির্দেশ অমান্য করেন বা বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত করেন,
- অন্য কর্মচারীদের উসকানির মাধ্যমে এসব কাজে প্ররোচিত করেন,
- ছুটি বা যুক্তিসংগত কারণ ব্যতিরেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন বা কর্মবিরতিতে যান,
- কিংবা অন্য কোনো কর্মচারীকে তার কর্তব্য পালনে বাধা দেন—
তাহলে এইসব কাজকে "সরকারি কর্মে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী অসদাচরণ" হিসেবে গণ্য করা হবে।
এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে নিম্নপদে অবনয়ন, নিম্নবেতন গ্রেডে স্থানান্তর, বাধ্যতামূলক অবসর বা বরখাস্ত করা যেতে পারে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইনটি কার্যকর হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন করে শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের বিষয়ে আরও কঠোর বিধান কার্যকর হলো।