ববি প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার , ৮ ফেব্রুয়ারি , ২০২৫
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য (ভিসি) এবং উপ-উপাচার্য (প্রো-ভিসি) পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিয়েছেন।
একাডেমিক অগ্রগতি জানতে সব বিভাগের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে একটি সভার আহ্বান জানিয়ে বৃহস্পতিবার নোটিশ জারি করেন সহ–উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রাব্বানি। নোটিশকে বিধিবহির্ভূত উল্লেখ করে সব বিভাগের চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে সাড়া না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে একই দিনে পাল্টা নোটিশ জারি করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক শুচিতা শরমিন।
অধ্যাপক গোলাম রাব্বানীর নোটিশে বলা হয়, আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় উপ-উপাচার্যের দপ্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক অগ্রগতি নিয়ে একটি সভা হবে। এতে সব বিভাগের চেয়ারম্যানদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
এরপর উপাচার্যের পক্ষে সব বিভাগের চেয়ারম্যানদের পাল্টা চিঠি দেন রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম। এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নির্বাহী কর্মকর্তা উপাচার্য। তার নির্দেশ ও অনুমোদন ছাড়া দপ্তরপ্রধান, কর্মকর্তা বা অন্য কেউ শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীর উদ্দেশ্যে কোনো পত্র পাঠাতে পারেন না। সঙ্গতকারণে উপ-উপাচার্যের পত্রটি নিয়মবহির্ভূত। চিঠিটি কোনো শিক্ষককে আমলে না নেওয়ার জন্য উপাচার্যের নির্দেশে অনুরোধ করা হলো।
উপাচার্য ও সহ–উপাচার্যের পাল্টাপাল্টি দুটি প্রশাসনিক নোটিশ জারি করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। পাল্টাপাল্টি দুটি নোটিশের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভাজনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
উপ-উপাচার্য গোলাম রাব্বানী বলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ১১ (ক) এর ২ নম্বর ধারা অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক দায়িত্ব পালন করবেন উপ-উপাচার্য। তাই সভা আহ্বান নিয়ে উপাচার্যের পালটা নোটিশ বিব্রতকর।
উপাচার্যের পক্ষে পালটা নোটিশের বিষয়ে রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক প্রধান। তার নির্দেশক্রমে আমি এই চিঠি বা নোটিশ দিয়েছি।