শাবি প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার , ৩০ জুলাই , ২০২৫
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) ‘বাংলাদেশে ভোক্তার অধিকার : বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জসমূহ ও করণীয়’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং শাবির সমাজকর্ম বিভাগের সহযোগিতায় মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান ও সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযোগ ও তদন্ত বিভাগের পরিচালক (উপসচিব) মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন শাবি উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন। মুখ্য আলোচক ছিলেন অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং আলোচক হিসেবে অংশ নেন সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. তাহমিনা ইসলাম।
সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মোহাম্মদ আলীম আখতার খান। তিনি তার প্রবন্ধে ২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ভোক্তাদের অধিকার ও করণীয় বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন এবং শাবির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভোক্তা অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, “আমরা প্রত্যেকেই কোনো না কোনোভাবে ভোক্তা। তাই আমাদের উচিত নিজের অধিকার সম্পর্কে জানা ও সচেতন থাকা। অধিদপ্তরের এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম প্রশংসনীয়, যা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হওয়া দরকার।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম বলেন, “এই ধরনের সেমিনার ভোক্তা অধিকারের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি সমাধানের পথও দেখায়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার এখন সময়ের দাবি।”
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের মোট ২৯০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়াও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা ভোক্তা অধিকার বিষয়ে নানা প্রশ্ন তোলেন এবং এ সংক্রান্ত নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সেমিনার শেষে অংশগ্রহণকারীরা এ ধরনের আয়োজন নিয়মিতভাবে করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে শিক্ষার্থীরা তাদের নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে সমাজে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।