কুবি প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার , ৩ সেপ্টেম্বর , ২০২৫
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে “ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড–২০২৫” ও সনদ প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল কক্ষে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
কুবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. হায়দার আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম (পিএইচডি), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, কুবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।
এবারের ভিসি অ্যাওয়ার্ডে ৫৫ জন শিক্ষার্থীকে মনোনীত করা হয়। তারা মূলত ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তবে ফার্মেসি বিভাগের পাঁচ বছর মেয়াদি কোর্সের কারণে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেও শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে।
মোট চারটি ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়— মেধাবী (স্নাতকে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী), মেধাবী (স্নাতকের দুই সেমিস্টারে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী), মেধাবী ও অস্বচ্ছল (শিক্ষাগত কৃতিত্বের পাশাপাশি আর্থিকভাবে অসচ্ছল) এবং স্পোর্টস ক্যাটাগরি। মনোনীতদের মধ্যে ১২ জন ছেলে এবং ৪৩ জন মেয়ে। প্রত্যেককে পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা এবং সনদ প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “চিন্তাধারাকে সীমাবদ্ধ রাখবে না। শুধু শিক্ষক হওয়ার চিন্তায় আবদ্ধ থেকো না, গণ্ডি ভেঙে দেশ-বিদেশে কাজ করবে। সর্বাগ্রে ভালো মানুষ হতে হবে। কেবল জিপিএ নয়, জ্ঞান ও মানবিক গুণ অর্জনের দিকে মনোযোগ দাও।”
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “বৃত্তি শুধু অনুপ্রেরণা নয়, এটি সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার নির্দেশক। খারাপ কিছুকে ভালো কিছু দিয়ে জয় করতে হবে। জীবনীগুলো পড়ো, ধর্মীয় দিকনির্দেশনা মনে রেখো।”
কুবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. হায়দার আলী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “এখন আর শুধু গতানুগতিক জ্ঞান যথেষ্ট নয়, সৃজনশীলতার যুগ চলছে। নিজেদেরকে ক্রিয়েটিভিটিতে দক্ষ করে তুলতে হবে। শিক্ষাজীবনের সাফল্য যেন কর্মজীবনেও প্রতিফলিত হয়।”