জবি প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার , ১৮ নভেম্বর , ২০২৫
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে নিজের প্যানেল ঘোষণা করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ নামের এই প্যানেলে ভিপি পদে প্রার্থী হয়েছেন জবি শিবির শাখার সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম এবং জিএস পদে রয়েছেন সংগঠনের সেক্রেটারি আবদুল আলিম আরিফ। এজিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন আপ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সংগঠক মাসুদ রানা।
মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে রফিক ভবনের নিচতলায় প্যানেলের ভিপি, জিএস ও এজিএসসহ শীর্ষ তিন পদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। পরে সম্পাদকীয় ও নির্বাহী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের নাম ঘোষণা করেন জবি শিবির সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম।
ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম এবং জিএস প্রার্থী আবদুল আলিম আরিফ দু’জনই আইন বিভাগের ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এজিএস পদে থাকা মাসুদ রানা পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯–২০ ব্যাচের ছাত্র।
প্যানেলের অন্যান্য সম্পাদকীয় পদে প্রার্থীরা হলেন—
মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র : নূর নবী
শিক্ষা ও গবেষণা : ইব্রাহীম খলিল
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি : সুখীমন
স্বাস্থ্য ও পরিবেশ : নূর মোহাম্মদ
আইন ও মানবাধিকার : হাবিব মোহাম্মদ ফারুক
আন্তর্জাতিক বিষয়ক : নওশীন নাওয়ার জয়া
সাহিত্য ও সংস্কৃতি : নাহিদ হাসান রাসেল
ক্রীড়া : জারজিস আনোয়ার নাঈম
পরিবহন : তাওহীদুল ইসলাম
সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ : মোস্তাফিজুর রহমান
পাঠাগার ও সেমিনার : সোহাগ আহম্মেদ
নির্বাহী সদস্য পদে সাতজন প্রার্থী : শান্তা আক্তার, সালেম হোসেন সিয়াম, ফাতেমা আক্তার, আকিব হাসান, কাজী আরিফ, মো. মেহেদী হাসান ও আবদুল্লাহ আল ফারুখ।
জকসু নির্বাচনে মোট ২৩টি পদের মধ্যে সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ পদ দুইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম এবং ট্রেজারার অধ্যাপক সাবিনা শরমীন পালন করবেন। বাকি ২১টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন প্রার্থীরা।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়ন দাখিল হয়েছে ১৭–১৮ নভেম্বর এবং বাছাই হয়েছে ১৯–২০ নভেম্বর। ২৩ নভেম্বর প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ হবে। ২৪–২৬ নভেম্বর আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তির পর ২৭ ও ৩০ নভেম্বর প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট হবে। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে ৩ ডিসেম্বর, আর মনোনয়ন প্রত্যাহার করা যাবে ৪, ৭ ও ৮ ডিসেম্বর।
যোগ্য প্রার্থীরা ৯ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রচারের পর ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ এবং সেদিনই ফলাফল ঘোষণা করা হবে।