প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: রবিবার , ২৬ জানুয়ারী , ২০২৫
ব্র্যাক
ইউনিভার্সিটিতে বক্তব্য দিয়েছেন ইনডিপেনডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার (আইআইএমএম)-এর হেড নিকোলাস
কৌমজিয়ান।
সম্প্রতি
বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার থিয়েটারে `মিয়ানমারে মানবতাবিরোধী অপরাধ: আইআইএমএম-এর চ্যালেঞ্জ এবং
ভবিষ্যত’ শিরোনামের একটি বক্তব্য দেন তিনি। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড
জাস্টিস (সিপিজে) এই পাবলিক লেকচারের
আয়োজন করে।
২০১৮
সালে
জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ আইআইএমএম গঠন করে। এর উদ্দেশ্য হলো
২০১১ সাল থেকে মিয়ানমারে সংঘটিত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের নিরপেক্ষ ও স্বাধীন প্রমাণ
সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করা।
নিকোলাস
কৌমজিয়ান বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার
নাগরিকদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ
সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশের সহায়তার কারণেই আইআইএমএম আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) জন্য মূল্যবান ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ
সংগ্রহ করতে পেরেছে। আইআইএমএম-এর কাজের পরিধি
কেবলমাত্র রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে সীমাবদ্ধ নয়। আইআইএমএম মিয়ানমারের অন্যান্য জাতি ও সম্প্রদায়ের ওপর
সংঘটিত অপরাধের বিষয়েও কাজ করেছে।
তিনি
আর্জেন্টিনার ‘ইউনিভার্সাল জুরিসডিকশন’ এর ব্যবহার প্রসঙ্গে
আলোচনা করেন। এটি কীভাবে অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে তার
বক্তব্যে তুলে ধরেন।
তিনি
বলেন, এই ব্যবস্থা অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য কার্যকরী হতে পারে।
অনুষ্ঠানে
প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলি সংক্রান্ত
প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
তিনি
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন। তিনি এই বিষয়ে আইআইএমএম-এর পাশাপাশি অন্যান্য
সংস্থার সঙ্গে একযোগে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানটির
সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড।
বক্তব্য
রাখেন সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড
জাস্টিস এর ডেপুটি এক্সিকিউটিভ
ডিরেক্টর শাহরিয়ার সাদাত। সমাপনী বক্তব্য রাখেন সিপিজের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মনজুর হাসান ওবিই।