ঢাবি প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: শুক্রবার , ২১ মার্চ , ২০২৫
আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন ইস্যুতে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলো।
বৃহস্পতিবার রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের প্রধানতম নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ফেইসবুকে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন চক্রান্ত নিয়ে একটি পোস্ট করেন।
তারপর প্রথমে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, এর কয়েক ঘন্টার মধ্যে ক্যাম্পাসগুলোকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যারয়ে মধ্যরাতের বিক্ষোভে ‘প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য, প্রত্যাহার করতে হবে’, 'বিচার বিচার চাই, গণহত্যার বিচার চাই', 'সাইদ ওয়াসিম মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ', 'অবিলম্বে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ কর, করতে হবে'সহ নানা স্লোগান দেওয়া হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী এবি জোবায়ের বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার উপর আমাদের ভরসা রয়েছে। তার আশপাশে নানা লোক বিভিন্ন বাধা সৃষ্টি করছে, বিভিন্ন 'এজেন্সি' বাধা তৈরি করছে।
“অবিলম্বে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত, ছাত্র-জনতা মাঠে থাকবে। শহীদের রক্তের সাথে বেইমানি আমরা মেনে নেব না।”
তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে গণভোটের আয়োজন করা হোক। দেশের মানুষ চায়- খুনি আওয়ামী লীগ যেন ফিরতে না পারে। বাংলাদেশের জনগণ আপনার পাশে আছে।”
প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশে তিনি বলেন, “অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিন। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার আগ পর্যন্ত কোনো নির্বাচন হবে না।”
সমাবেশে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, “বিভিন্ন ক্যালকুলেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছে। জনগণ ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত দিয়ে দিয়েছে।
“হয় আওয়ামী লীগ থাকবে, নয় ছাত্রসমাজ থাকবে। আমাদের শরীরে একবিন্দু রক্ত থাকতে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে দিব না।”
তিনি বলেন, শুক্রবার বিকেল ৩টায় রাজু ভাস্কর্যে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল হবে।
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের নেমে আসার আহ্বানও জানান তিনি।