ইবি প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: শুক্রবার , ১৮ এপ্রিল , ২০২৫
নাটোরের বড়াইগ্রামে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মুখাবয়ব এসিড দিয়ে ঝলসে দেওয়ার ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচারের দাবিতে শুক্রবার মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা।
জুমার নামাজের পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ফটকে এ মানববন্ধন আয়োজন করে ইবিস্থ নাটোর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইউসুব আলী বলেন, “আজকে আমরা এমন একটা অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছি যে আমাদের আজ একটি ছোট্ট শিশুর জন্য মানববন্ধন করতে হচ্ছে। আমরা ইতোপূর্বেও এরকম অনেক ধর্ষণের ঘটনা ঘটতে দেখেছি। কিন্তু সেই ঘটনার সঠিক বিচার না হওয়ার কারণে এইরকম ঘটনা পুনরায় ঘটছে। আমরা এই মানববন্ধন থেকে প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই এই ঘটনায় জড়িত প্রতিটি ক্রিমিনালকে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং অতি দ্রুত তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, “এইরকম একটা বিষয় নিয়ে আমাদের প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করতে হবে এটা আমার চিন্তাতেও আসে না। একটা রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরে এইরকম একটা ছোট্ট মেয়েকে ধর্ষিত হতে হয় এবং তাকে নির্মমভাবে মেরে ফেলা হয় বর্তমান রাষ্ট্র ব্যবস্থায় এটা আমাদের পক্ষে মেনে নেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর। যারা এই কাজের সাথে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
গত সোমবার নাটোরের বড়াইগ্রামে ৭ বছরের শিশুকন্যা জুঁইকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা ও মুখমণ্ডল এসিড দিয়ে পুড়িয়ে বীভৎস করে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার নিখোঁজের পর মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাড়ি থেকে মাত্র ৩০০ গজ অদূরে ভুট্টা ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জুঁই ওই গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী জাহিরুল ইসলামের মেয়ে ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ১ম শ্রেণিতে পড়াশুনা করতো।