কুয়েট প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার , ১৯ ফেব্রুয়ারি , ২০২৫
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা এবং উপাচার্য, উপউপাচার্য ও ছাত্রবিষয়ক পরিচালকের পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার রাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে বলা হয়, বুধবার বেলা একটার মধ্যে তাদের দাবি পূরণ করতে হবে।
দাবি পূরণ না করা পর্যন্ত সব ধরনের ক্লাস, পরীক্ষা এবং একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। কোনো ক্রমেই হল খালি করা যাবে না বলেও জানান তারা।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো
১. বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা–কর্মচারী ও অধীন কেউ কোনো রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকতে পারবেন না উল্লেখ করে অধ্যাদেশ জারি করতে হবে এবং এর ব্যত্যয় ঘটলে শিক্ষক–কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আজীবন বহিষ্কার এবং শিক্ষার্থীদের ছাত্রত্ব বাতিলের বিষয়টি স্পষ্টভাবে অধ্যাদেশে উল্লেখ করতে হবে।
২. মঙ্গলবার শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত শিক্ষার্থী এবং তাঁদের প্রশ্রয়দাতা শিক্ষক, কর্মকর্তা–কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হত্যাচেষ্টা ও নাশকতার মামলা করতে হবে এবং জড়িত সবাইকে বহিষ্কার ও ছাত্রত্ব বাতিল করতে হবে। জড়িতদের তালিকা শিক্ষার্থীরাই প্রদান করবে।
৩. শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্যাম্পাসের বাইরে পর্যাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্যের সহায়তায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. হামলার ঘটনায় আহত সবার চিকিৎসার ব্যয় প্রশাসন থেকে বহন করতে হবে। আহত ব্যক্তিদের তালিকা শিক্ষার্থীদের থেকে প্রদান করতে হবে।
৫. এসব দাবি পূরণ করে ঘটনার ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার সঙ্গে সঙ্গে উপাচার্য, উপউপাচার্য ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালককে পদত্যাগ করতে হবে।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে কুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে ছাত্রদল।