রাবি প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার , ১৮ সেপ্টেম্বর , ২০২৫
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে প্রতিনিধি নির্বাচনে ভিন্ন ভিন্ন দাবির তালিকা দিয়েছে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে এ দাবিগুলো উত্থাপন করা হয়।
দুপুরে ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল স্মারকলিপি দিয়ে ৬ দফা দাবি তোলে। এর মধ্যে রয়েছে—স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ, ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা, ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশ রোধ, কালোটাকার প্রভাব ঠেকানো এবং সব প্রার্থীর নির্বাচনি আচরণবিধি মনিটরিং।
প্যানেলের ভিপি প্রার্থী শেখ নূর উদ্দিন আবীর বলেন, “আচরণবিধি মানা হচ্ছে না, অথচ প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা সন্তোষজনক নয়। দাবি মানা না হলে ভোট বর্জন করা হবে কি না—তা পরিস্থিতি নির্ভর। তবে আমরা চাই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন।”
অন্যদিকে বিকেলে ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ নামে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল রাকসু কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ে ৭ দফা দাবি জানায়। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে—পোলিং এজেন্টদের পূর্ণ সহযোগিতা, সাংবাদিকদের জন্য পৃথক আইডি কার্ড, ত্রুটিমুক্ত ওএমআর মেশিনে ভোট গণনা (অভিযোগ উঠলে ম্যানুয়াল গণনার সুযোগ), প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি, নির্বাচনের দিন ক্যাম্পাসে বাইরের প্রবেশ নিষিদ্ধকরণ এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা।
প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান বলেন, “জাকসু নির্বাচনে ফল পেতে তিন দিন লেগেছিল। রাকসুতে ভোটার আরও বেশি। তাই দ্রুত ফলাফলের জন্য ওএমআর মেশিন জরুরি। তবে আপত্তি এলে ম্যানুয়ালভাবে পুনর্গণনা হতে হবে।”
আচরণবিধি প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, “আমাদের বিরুদ্ধে কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। কিন্তু ছাত্রদল শুরু থেকেই নিয়ম ভঙ্গ করছে—শ্রেণিকক্ষে প্রচারণা চালানো থেকে শুরু করে কর্মচারীদের দিয়ে প্রচার পর্যন্ত। আমরা চাই সবাই নিয়ম মেনে কাজ করুক, তবেই শিক্ষার্থীরা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারবে।”