প্রতিবেদক, প্রকাশিত: রবিবার , ৫ জানুয়ারী , ২০২৫
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কথাবার্তা বলে সেই আলোকে সরকার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্রের খসড়া তৈরি করবে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন।
রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুল আলম বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে এবং এটি নিয়ে কাজ হচ্ছে। এটা নিয়ে সামনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও কথাবার্তা হবে। সে আলোকেই খসড়া হবে। তারা আশা করছেন, এ নিয়ে সামনে আরও অগ্রগতি দেখা যাবে।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি গত ৩১ ডিসেম্বর কেন্দ্রিয় শহিদ মিনারে সমাবেশ করে ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ প্রকাশের কর্মসূচি দিয়েছিল। তবে অন্তরালে বিপ্লবের অংশিদার কিছু রাজনৈতিক দলের বিরোধীতার কারণে সেই ঘোষণাপত্র আর দেওয়া হয়নি।
প্রেস সচিব বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা জনগণের ঐক্য, ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনা ও রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষাকে সুসংহত রাখার জন্য এ ঘোষণাপত্রটি গৃহীত হবে। গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক দল ও পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে ঘোষণাপত্রটি প্রস্তুত করা হবে। এতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিত, ঐক্যের ভিত্তি ও জনগণের অভিপ্রায় ব্যক্ত হবে।
এরপর ৩১ ডিসেম্বর শহীদ মিনারে ‘মার্চ ফর ইউনিটি’ (ঐক্যের জন্য যাত্রা) কর্মসূচি পালন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি। ওই কর্মসূচি থেকে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।
এরপর ৩১ ডিসেম্বর শহীদ মিনারে ‘মার্চ ফর ইউনিটি’ (ঐক্যের জন্য যাত্রা) কর্মসূচি পালন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি। ওই কর্মসূচি থেকে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।
জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ নিয়ে এই সময়সীমার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আজকের সংবাদ ব্রিফিংয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘আমরা আমাদের ঘোষণায় কিন্তু বলেছিলাম, কিছুদিনের মধ্যে। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’