প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: শনিবার , ২৬ এপ্রিল , ২০২৫
পটুয়াখালীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের এক শহীদের কলেজপড়ুয়া মেয়ে কয়েকমাস আগে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন; সেই কিশোরীর আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
রাতে হাসপাতালের বিছানাই ওই কিশোরের মায়ের আর্তনাদ প্রচার হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমের লাইভ সম্প্রচারে। বার বার মুর্চা যাচ্ছিলেন ওই নারী।
গত ১৮ মার্চ পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নে শহীদের ওই কিশোরী মেয়েকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তার পরেরদিনই অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় যারা গ্রেপ্তারর হয়েছিলেন তারা জামিন পেয়েছে। এছাড়া যারা চিহ্নিত অপরাধী তারাও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এ বিষয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই হতাশার মধ্যে ছিলেন ভুক্তভোগী কিশোরী।
ধর্ষণের ঘটনার দিন মেয়েটি তার শহিদ পিতার কবর জিয়ারত শেষে নানাবাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হয়। পথে নলদোয়ানী এলাকা থেকে সাকিব ও সিফাত নামে দুজন তাকে অনুসরণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা মুখ চেপে ধরে পাশের জলিল মুন্সির ভিটা বাগানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় এবং ঘটনার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় দুজনের নাম উল্লেখ করে দুমকি থানায় মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী।