প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: সোমবার , ১৭ নভেম্বর , ২০২৫
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ সোমবার (১৭ নভেম্বর) এই রায় ঘোষণা করেন।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ ছিল। তিনটি আলাদা অপরাধে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, এবং বাকি দুটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড স্থির করা হয়েছে। এটি হচ্ছে জুলাই অভ্যুত্থান সংক্রান্ত মামলার প্রথম রায়।
রায়ের পরে, তাঁর আইনজীবীরা বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। আপিল বিভাগের কাছে আইনগত ভুল, প্রমাণের অপব্যবহার বা বিচার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের দৃষ্টান্ত দেখানো যেতে পারে। এরপর আপিল বিভাগ শুনানি করে রায় বহাল রাখতে পারে, পরিবর্তন করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।
আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়, যেখানে নতুন প্রমাণ বা গুরুতর আইনি ভুল তুলে ধরা যেতে পারে। রিভিউয়ের শুনানিতে আদালত রায় সংশোধন করতে বা পুনরায় শুনানির নির্দেশ দিতে পারে। এটি বিচারিক প্রক্রিয়ার শেষ ধাপ।
তারপরও, রিভিউতে চূড়ান্ত রায়ের পর রাষ্ট্রপতির কাছে দণ্ড মওকুফের জন্য আবেদন করা সম্ভব। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সাজা মওকুফ, কমানো বা স্থগিত করার ক্ষমতা রাখেন।