প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: শুক্রবার , ৯ মে , ২০২৫
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে শুক্রবার (৯ মে) সকাল পৌনে ছয়টায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাতভর অভিযানের পর দেওভোগের বাসা থেকে তিনি গ্রেপ্তার হন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান, জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনায় আইভীর বিরুদ্ধে একাধিক থানায় অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে।
নাসিকের টানা তিনবারের নির্বাচিত মেয়র জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আইভী গ্রেপ্তার হওয়ার আগ মুহূর্তে খেদ প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেছেন, “আমি কি জুলুমবাজ? আমি কি হত্যা করেছি, চাঁদাবাজি করেছি? নারায়ণগঞ্জ শহরে কখনো কোনো বিরোধীদলকে আঘাত করেছি, এমন রেকর্ড কি আমার আছে? তাহলে কীসের জন্যে, কার স্বার্থে আমাকে অ্যারেস্ট করা হলো?”
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আইভীর পৈতৃক বাড়ি ‘চুনকা কুটিরে’ যায় সদর মডেল থানা পুলিশের একটি দল। আইভীকে গ্রেপ্তারে খবরে তখনই সড়কে নেমে স্থানীয় কয়েক হাজার মানুষ নেমে এলে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
গ্রেপ্তার ঠেকাতে আইভীর বাড়ির চারটি রাস্তায় বাঁশ, ঠেলাগাড়ি, ভ্যানগাড়ি, বালু ফেলে সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় সমর্থক ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।
তারা ‘রাতের আঁধারে’ আইভীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যেতে দেবেন না বলে স্লোগান দিতে থাকেন।সমর্থকদের পাশাপাশি আইভীও পুলিশকে বলেন, রাতের আঁধারে তিনি কোথাও যাবেন না। কোথাও যেতে হলে সকালে যাবেন।