প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: রবিবার , ২০ এপ্রিল , ২০২৫
নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে নানা রকম অভিযোগ চাউর হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে একটি শৃঙ্খলা কমিটি গঠনের বার্তা এসেছে।
রোববার দপ্তর সম্পাদক সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন কমিটি গঠনের কথা জানায় দলটি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশের পর এটিই দলটির আনুষ্ঠানিক কোন কমিটি। এর আগে কয়েকটি পেশাজীবি সেল গঠন করা হয়েছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৯ এপ্রিল এনসিপি’র তৃতীয় সাধারণ সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দলের সদস্যদের আভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সদস্যদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের তদন্তের জন্য আহবায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের অনুমোদনক্রমে নিম্নোক্ত ‘শৃঙ্খলা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল-আমিনকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে আছেন ডা. তাজনূভা জাবীন, অর্পিতা শ্যামা দেব, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, মীর আরশাদুল হক, ফারহাদ আলম ভুঁইয়া, অ্যাডভোকেট আলী নাছের খান, আকরাম হোসেন (রাজ), আরমান হোসাইন, মো. আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, সানাউল্লাহ খান ও সাইয়েদ জামিল।
শুক্রবার বেলা ৩টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এনসিপির বাংলামোটর অস্থায়ী কার্যালয়ে দলটির তৃতীয় সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দলটির মুখ্য সংগঠক সার্জিস আলম ও তার অন্যতম অনুসারী যুগ্ম সদস্য সচিব এ বি এম গাজী সালাউদ্দিন আহমেদ তানভীরের হঠাৎ বিলাসী জীবন ও তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও মাধ্যমে উঠা বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেন কয়েকজন সদস্য।
এসময় সার্জিস আলমকে কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে থাকতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে তিনি কিছু প্রশ্নের উত্তরও দেওয়ার চেষ্টা করেন।
এ সময় আলোচনা ও বিতর্কে হস্তক্ষেপ করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বিভিন্ন সর্বনাম ও রূপক শব্দ ব্যবহার করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে সভার সভাপতি একটি শৃঙ্খলা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তী বিষয়ের উপর আলোচনায় যান।
ইতোমধ্যেই তানভীরের বিরুদ্ধে এনসিটিবিতে নতুন বই ছাপানোর কাজে দুর্নীতি ও ডিসি নিয়োগে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ গণমাধ্যমে এসেছে।