প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: শনিবার , ২৮ জুন , ২০২৫
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহী জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মো. রাশিদুল ইসলাম বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা উল্লেখ করেছেন।
পরদিন শুক্রবার রাজশাহী জেলা কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী নাহিদুল ইসলাম সাজুকে দলের সব দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি।
তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি তকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে এনসিপির দলীয় সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় বুধবার (২৬ জুন) রাত ১১টার দিকে রাজশাহী নগরীর রানীবাজার এলাকার একটি রেস্তোরাঁয়। ওই রেস্তোরাঁটি এনসিপির জেলা প্রধান সমন্বয়কারী রাশেদুল ইসলামের মালিকানাধীন।
সেখানে কমিটির অন্য এক যুগ্ম সমন্বয়কারী ফিরোজ আলমকে বুকে লাথি মারেন নাহিদুল ইসলাম সাজু। ঘটনার পর তিনি স্থান ত্যাগ করেন এবং ফিরোজ আলমও বাড়ি ফিরছিলেন।
পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী রাশেদুল ইসলাম কেন্দ্রের কাছে তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি।
দলীয় সূত্রে জানায়, ওই রাতে কমিটির কয়েকজন নেতা রাশেদুল ইসলামের রেস্তোরাঁয় বৈঠক করছিলেন। সেখানে নাহিদুল ও ফিরোজ একে অপরের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের অভিযোগ তোলেন। এক পর্যায়ে ‘তুই আওয়ামী লীগ’ বলে কটাক্ষের জেরে উত্তেজনা দেখা দেয়।
ঘটনার পর নাহিদুল ইসলাম সাজু বলেন, এটা এখন সমাধান হয়ে গেছে। আমি ফিরোজের সঙ্গে কথা বলেছি। নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল।
সাময়িক অব্যাহতি পাওয়া প্রসঙ্গে নাহিদুল বলেন, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনে বাধা দেওয়ার কারণে আমাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আমি জবাব দেব।