জবি প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার , ২২ জুন , ২০২৫
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সামনের একজন দর্জি বিশ্বজিৎ, যিনি নিজেকে হিন্দু দাবি করা স্বত্বেও তাকে শিবির আখ্যা দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। আপনারা চাইলে ইতিহাস ধারণ করে রাখার জন্য, আপনাদের আন্দোলনের অংশ করার জন্য জবির নতুন একটি হল বিশ্বজিতের নামে রাখতে পারেন।”
শুক্রবার (২০ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (জবিসাস) আয়োজিত ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এই কথা বলেন।
মো. রাশেদ খান বলেন, “জবির শিক্ষার্থীরা যৌক্তিক আন্দোলন করেছে। আমরা রাজনৈতিক নেতারা সে আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেছি। যৌক্তিক আন্দোলনকে যেন বিতর্কিত করতে না পারে সেটি আমরা চেয়েছি। আপনাদের আন্দোলন সফল হয়েছে। আপনারা চাইলে সেই সঙ্গে শহিদ দর্জি বিশ্বজিৎকে আপনাদের সাথে যুক্ত করতে পারেন।”
ছাত্র রাজনীতি প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, “গেস্ট রুমভিত্তিক, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজির রাজনীতি শিক্ষার্থীরা এখন আর মেনে নিচ্ছে না। জ্ঞানভিত্তিক, যুক্তিনির্ভর রাজনীতি করতে হবে। শিক্ষার্থীদের উপযোগী রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।”
গণমাধ্যম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সাবেক তথ্য উপদেষ্টা গণমাধ্যমের কোনো সংস্কার করতে পারেননি। তিনি গণঅভ্যুত্থানের নায়ক। কিন্তু এখনও পর্যন্ত গণমাধ্যমে সংস্কারের কোনো চিহ্ন দেখা যায় না। হাসিনা চলে গেছে কিন্তু তার দোসরা এখনো বহাল তবিয়তে।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জবিসাসের সভাপতি ইমরান হেসাইন।