চবি প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার , ১৯ মে , ২০২৫
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন ও ভাতা চালুসহ পাঁচ দফা দাবিতে রোববার (১৮ মে) উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছে শাখা ছাত্রদল।
স্মারকলিপি গ্রহণ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, ছাত্রদলের দাবিগুলো যৌক্তিক, তারা পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নিবেন।
দাবিগুলো হলো :
১. দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষার্থীদের শতভাগ আবাসনের নিশ্চয়তা দিতে পর্যাপ্ত নতুন হল নির্মাণ করার কার্যক্রম দ্রুততম সময়ে হাতে নেওয়া।
২. হল নির্মাণ কার্যক্রম গ্রহণের পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত হারে মাসিক আবাসন ভাতা চালু করা।
৩. বর্তমানে কার্যরত হলগুলোর সংস্কার ও আবাসন ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং বিদ্যমান ছেলেদের নতুন দুটি হলের পূর্ণাঙ্গ শতভাগ আসন বরাদ্দ নিশ্চিতকরণের প্রক্রিয়া দ্রুততর করা।
৪. শহীদ ফরহাদ ও অতীশ দীপঙ্কর হলে আসন বরাদ্দ পাওয়ার পরও হলে উঠতে না পারা এবং সঠিকভাবে আবেদন করার পরও আইসিটি সেলের ত্রুটির কারণে আবেদন গৃহীত না হয়ে সিট বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হওয়া শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে হলে উঠার প্রক্রিয়া দ্রুততর করা।
৫. বিগত সময়ের সকল প্রশাসনিক দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রশাসনিক সংস্কার নিশ্চিত করা।
চবি ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দীন মহসিন বলেন, “শিক্ষার্থীরা দিনের পর দিন আবাসিক সংকটে ভুগছেন। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় শতভাগ আবাসিক হওয়ার কথা ছিল। আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নতুন হল নিমার্ণের উদ্যোগ নিক, শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন করুক। যতদিন নতুন হল নির্মাণ না হবে, শিক্ষার্থীদের আবাসন ভাতা দেওয়া হোক।”
চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, আবাসন সংকট নিরসন শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি। হলে স্খান সংকুলান না হওয়ায় স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে বাহিরে অস্বাস্থ্যকর কটেজে শিক্ষার্থীদের থাকতে হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত দ্রুত নতুন হল নিমার্ণের উদ্যোগ গ্রহণ করা ও বর্তমানে আবাসন সুবিধার বাহিরে থাকা শিক্ষার্থীদের ভাতা প্রদান করা।
এসব দাবি মেনে না নিলে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুশিয়ারিও দেন ছাত্রদলের এই নেতা।