আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: মঙ্গলবার , ৬ মে , ২০২৫
পাকিস্তানের পাঁচ জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে ভারতের দুই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে পাকিস্তান।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের দুই বিমান ভূপাতিত করা হয়। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে এই খবর দিয়েছে দ্য ডন।
ভারত-শাসিত কাশ্মীরের পেহেলেগামে সন্ত্রাসী হামলাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীর এবং পাঞ্জাবের পাঁচ স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে ভারত।
মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায অন্তত ৩ জন পাকিস্তানি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত ১২ জন।
পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরীর বরাতে এই ডন পত্রিকা এ তথ্য জানিয়েছে।
পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের রাজধানী মোজাফফরাবাদ, বাগ শহর ও কোটলি জেলায় এবং পাঞ্জাবের ভাওয়ালপুর ও মুরিদকে এলাকায় এ হামলার কথা বলছে পাকিস্তান।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে লে. জে. চৌধুরী এআআই নিউজকে বলেন, “কিছুক্ষণ আগে কাপুরুষোচিত শত্রু ভারত ভাওয়ালপুরের আহমেদ ইস্ট এরিয়ার সুবহানুল্লাহ মসজিদে, কোটলি এবং মোজাফফরাবাদে একই সময়ে তিন জায়গায় হামলা চালিয়েছে।
“আমাদের বিমানবাহিনীর সব যুদ্ধবিমান আকাশে রয়েছে। এই কাপুরুষোচিত ও লজ্জাজনক হামলা চালানো হয়েছে ভারতের আকাশসীমা থেকে। পাকিস্তানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশের সুযোগ তাদেরকে দেওয়া হবে না।”
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ভারতের সশস্ত্র বাহিনী ‘অপারেশন সিন্দুর’ শুরু করেছে। এর আওতায় পাকিস্তান ও পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের নয়টি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। ভারত সরকার বুধবার এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।
ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামের অভিযানে পাকিস্তানের ৯টি জায়গায় হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর অবকাঠামো লক্ষ্য করা হয়েছে। পাকিস্তানের সেনা সদস্যদের ওপর কোনো হামলা চালানো হয়নি।
বিবৃতিতে তারা বলেছে, কিছুক্ষণ আগে, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী ‘অপারেশন সিঁদুর’ পরিচালনা করেছে। পাকিস্তান এবং পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মিরে সন্ত্রাসীদের অবকাঠামোতে আঘাত হানা হয়েছে। যেখান থেকে ভারতের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা ও পরিচালনা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৯টি জায়গায় আঘাত হানা হয়েছে।
এ হামলায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর কোনো অবকাঠামোতে আঘাত হানা হয়নি দাবি করেছে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী। তারা বলেছে, ‘এটি ছিল কেন্দ্রীভূত, পরিমাপিত’। এছাড়া উত্তেজনা যেন বৃদ্ধি না হয় সে বিষয়টিতেও নজর দেওয়া হয়েছে।