আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: শুক্রবার , ৪ এপ্রিল , ২০২৫
সামরিক আইন জারির কারণে প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে অভিশংসনের যে সিদ্ধান্ত দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্ট নিয়েছিল, তাতে সম্মতি দিয়েছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত।
আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মুন হিউং-বে শুক্রবার রায় ঘোষণার শুরুতেই বলেন, প্রেসিডেন্ট ইউনকে অপসারণের ‘যথেষ্ট কারণ’ রয়েছে।
"বিবাদী (প্রেসিডেন্ট ইউন) সামরিক ও পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কর্তৃত্ব দুর্বল করেছেন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছেন।
“আর এর মধ্য দিয়ে তিনি সংবিধান রক্ষার সাংবিধানিক দায়িত্বের জলাঞ্জলি দিয়েছেন এবং কোরিয়ার জনগণের সঙ্গে গুরুতর বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।"
বিবিসি লিখেছে, সাংবিধানিক আদালতের এই রায় সর্বসম্মত। এই রায়ের ফলে দক্ষিণ কোরিয়াকে ৬০ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে হবে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইউন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সামরিক আইন ঘোষণা করেন। সে সময় তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রবিরোধী এবং উত্তর কোরিয়ার শক্তি সরকারে অনুপ্রবেশ করেছে।
কিন্তু দেশের জাতীয় পরিষদ বন্ধ করে দেয়ার জন্য পাঠানো ঊর্ধ্বতন সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তখনকার প্রেসিডেন্ট ইউন তার প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিবিদদের আটক করতে এবং তার সামরিক শাসনের আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংসদকে ভোটদান থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
এ দিকে সামরিক আইন জারিকে ঘিরে সংসদে আইনপ্রণেতাদের ভোটাভুটিতে অভিশংসিত হওয়া ইউন সুক-ইওলকে গত বছরের ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই প্রেসিডেন্ট পদের দায়িত্ব থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করা হয়।