আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: রবিবার , ৪ মে , ২০২৫
ভারতশাসিত কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলাকে ঘিরে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় পাকিস্তানে চলছে যুদ্ধপ্রস্তুতি।
দেশটিতে শুধু সেনাদের নয়, প্রস্তুত করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকেও। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে এসেছেন বেসামরিক নারীরাও। যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারাও। তাদের হাতেও তুলে দেওয়া হচ্ছে উদ্ধার সরঞ্জাম। শেখানো হচ্ছে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মানুষ তোলার কৌশল। খবর এপি
রাওয়ালপিন্ডি জেলা প্রশাসন এবং সিভিল ডিফেন্স বিভাগের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো ‘যুদ্ধকালীন উদ্ধার প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন পাকিস্তানের নারীরা।
যুদ্ধকালীন বা জরুরি পরিস্থিতিতে আহতদের উদ্ধার, ধসে পড়া ভবন থেকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে তাদের।
সিভিল ডিফেন্স প্রধানের কার্যালয়, রাওয়ালপিন্ডি ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ স্টেশন এবং মিশন হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলসহ একাধিক স্থানে প্রশিক্ষণ চলছে।
জেলা সিভিল ডিফেন্স অফিসার তালিব হুসাইন জানিয়েছেন, ‘শান্তি হোক কিংবা সংকট আমরা সর্বদা প্রস্তুত।’
তিনি আরও বলেছেন, ডেপুটি কমিশনার হাসান ওয়াকার চিমারের তত্ত্বাবধানে স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। নারীদের প্রশিক্ষণে নেতৃত্ব দিচ্ছেন হালিমা সাদিয়া। আর সামগ্রিক ব্যবহারিক সেশন পরিচালনা করছেন সিনিয়র প্রশিক্ষক নাসির কায়ানি ও সাদাফ জাহুর। এই প্রস্তুতি কার্যক্রমের আওতায় সব কর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং তাদের ২৪ ঘণ্টা ডিউটির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।