আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: শনিবার , ২১ জুন , ২০২৫
ইসরাইলের আকাশে বহুমুখী ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র (ক্লাস্টার বোমা) ছুড়েছে ইরান। যেটি থেকে একসঙ্গে অনেকগুলো বিস্ফোরক ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ছে ইসরাইলের মাটিতে। এ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে তেল আবিবের প্রতিরক্ষাব্যূহেও।
ইরানের নতুন ধরনের এ বহুমুখী ওয়ারহেডবাহী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কার্যত দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েছে ইসরাইলের গর্ব ‘আয়রন ডোম’ও।
ওয়ারহেড হল একটি ডিভাইসের একটি অংশ, যাতে বিস্ফোরক এজেন্ট বা বিষাক্ত (জৈবিক, রাসায়নিক বা পারমাণবিক) উপাদান থাকে। যা একটি ক্ষেপণাস্ত্র , রকেট , টর্পেডো বা বোমা দ্বারা সরবরাহ করা হয়।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইসরাইলে হামলায় ইরান একাধিক ওয়ারহেড বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। একাধিক ওয়ারহেড থাকায় ইসরাইলের আয়রন ডোমের মতো প্রতিরক্ষাব্যবস্থার পক্ষে সেগুলো ঠেকানো আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
ইসরাইল ইরানের ওয়ারহেডবাহী ক্ষেপণাস্ত্র ট্র্যাক করে আয়রন ডোম ছুঁড়লেওে এর থেকে একাধিক ওয়ারহেড ছড়িয়ে পড়ছে। এপি, দ্য টাইমস অব ইসরাইল, জেরুজালেম পেস্ট।
আইডিএফ নিশ্চিত করেছে, বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) মধ্যরাতে ইসরাইলে কমপক্ষে একটি ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড বহনকারী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান।
সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটির ওয়ারহেড প্রায় ৭ কিলোমিটার উচ্চতায় বিভক্ত হয়ে প্রায় ২০টি ছোট মিউনিশনে পরিণত হয়, যা প্রায় ৮ কিলোমিটারের একটি বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এ ধরনের মিউনিশনে নিজস্ব কোনো ইঞ্জিন নেই। ফলে এগুলো বাতাসে ভেসে এলোমেলোভাবে ভূমিতে পতিত হয়।
ইসরাইলের একজন সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ ধরনের ক্লাস্টার বোমাবাহী ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের অন্যান্য ব্যালিস্টিক মিসাইলের তুলনায় অনেক বেশি এলাকাজুড়ে হুমকি তৈরি করতে সক্ষম।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো বিশ্বের সম্মানিত মানুষদের আনন্দিত করেছে।