আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: বুধবার , ৫ মার্চ , ২০২৫
সার্বিয়ার পার্লামেন্টে মঙ্গলবার অধিবেশন চলাকালে ঠিক মাঝখানে ‘স্মোক গ্রেনেড’ ও পিপার স্প্রে ছোড়েন বিরোধীদলীয় আইনপ্রণেতারা।
ভয়াবহ হামলায় সরকারদলীয় এক আইনপ্রণেতা স্ট্রোক করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
সিএনএনের প্রতিবেদন বলছে, মঙ্গলবার সার্বিয়ান পার্লামেন্টে কর্মপরিকল্পনা উত্থাপন করে প্রগ্রেসিভ পার্টির (এসএনএস) নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোট। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে বিরোধী দলীয় জোট। তুমুল হট্টগোল শুরু হয় পার্লামেন্ট ভবনে। একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয় পরিস্থিতি। এ সময় পার্লামেন্টের ভেতরে স্মোক গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে বিরোধী দলের সদস্যরা। যার ফলে পার্লামেন্টের ভেতরে কালো ও গোলাপি ধোঁয়া দেখা যায়।
স্পিকার আনা ব্রনাবিচ বলেন, তিন আইনপ্রণেতা আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টির জেসমিনা ওব্রাদোভিচ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জ্লাতিবর লোনকার বলেছেন, ওব্রাদোভিচের অবস্থা সংকটাপন্ন।
প্রেসিডেন্ট ভুসিস বলেছেন, হট্টগোলের সঙ্গে জড়িত সব আইনপ্রণেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনাকে তিনি ‘গুন্ডামি’ বলে আখ্যা দেন।
উল্লেখ্য, সরকারবিরোধী আন্দোলনে গত চার মাস ধরে উত্তপ্ত বলকান রাষ্ট্র সার্বিয়া। প্রধানমন্ত্রী মিলোস ভুসেভিচের পদত্যাগের দাবিতে বেশ কয়েকবার আন্দোলনে নামে দেশটির শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।