প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: শুক্রবার , ৩০ মে , ২০২৫
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বরাবর চিঠি দিয়েছেন আট (সংখ্যাগরিষ্ঠ) পরিচালক।
তাদের অনাস্থা আমলে নিয়ে ও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) সংক্রান্ত গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ফারুকের মনোনয়ন বাতিল করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাত ১১টায় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এনএসসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ফারুক আহমেদকে বিসিবি সভাপতি পদে আর দেখতে চায় না সরকার—বুধবার (২৮ মে) রাতে তাকে এমন আভাস দিয়েছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। ফারুক নিজেই এ তথ্য দিয়ে তার অবস্থানে অনড় থেকে জানিয়ে দেন, তিনি পদত্যাগ করবেন না।
বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, পরিচালকদের মধ্য থেকে একজন বোর্ড সভাপতি নির্বাচিত হয়ে থাকেন। এখন যেহেতু ফারুক আহমেদের মনোনয়ন বাতিল করেছে এনএসসি। এর ফলে বিসিবির পরিচালক পদ হারালেন তিনি। তার মানে, ফারুক আহমেদ বিসিবির সভাপতির চেয়ারে থাকার যোগ্যতাও হারালেন।
মনোনয়ন বাতিলের পর ফারুক আহমেদ বলেন, “চিঠিটি আমি দেখেছি। এ ব্যাপারে আমি এখন কোনো মন্তব্য করব না। আগামীকাল (৩০ মে) আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।”
ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার কাছে চিঠি দিয়েছেন বিসিবির আট পরিচালক। তারা হলেন নাজমূল আবেদীন, ফাহিম সিনহা, সাইফুল আলম স্বপন চৌধুরী, ইফতেখার রহমান, মাহবুবুল আনাম, কাজী ইনাম আহমেদ, মনজুর আলম ও সালাহউদ্দিন চৌধুরী।
অনাস্থার চিঠিতে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি, অনিয়মসহ নানা অভিযোগ তুলে ধরেছেন আট পরিচালক। শুধু আকরাম খান অনাস্থা আনেননি।
সূত্র জানিয়েছে, অক্টোবরে বিসিবির নির্বাচনের আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সভাপতি হিসেবে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কথা ভাবছে সরকার। এনএসসি এরই মধ্যে তাদের মনোনীত পুরোনো একজন কাউন্সিলরের জায়গায় আমিনুলকে কাউন্সিলর করার চিঠি ইস্যু করেছে।