বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, শাবি প্রকাশিত: মঙ্গলবার , ৪ ফেব্রুয়ারি , ২০২৫
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) ১০ সদস্যের শিক্ষার্থীর দল ‘সাস্ট অনুসন্ধান’। দুই বছর গবেষণা করে দলটি ‘অর্কা’ নামের একটি স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান তৈরি করেছে। তাদের উদ্ভাবিত ডুবোযানটি উদ্ধার অভিযান, পরিবেশ পর্যবেক্ষণ এবং গবেষণার তথ্য সংগ্রহের মতো জটিল কাজ করতে পারে।
এই ডুবোযান নিয়ে সিঙ্গাপুর যাচ্ছে ‘সাস্ট অনুসন্ধান’। সবকিছু ঠিক থাকলে দলের ১০ শিক্ষার্থী ১৪-১৭ মার্চ অনুষ্ঠেয় ‘সিঙ্গাপুর অটোমেটেড আন্ডারওয়াটার ভেহিকেল চ্যালেঞ্জ (এসএইউবিসি) ২০২৫’-এ অংশ নেবেন। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০টি দলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে ‘সাস্ট অনুসন্ধান’।
সাস্ট অনুসন্ধান দলে আছেন কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী আদ দ্বীন মাহবুব, নাইনাইউ রাখাইন, নিহাল বেগ, ফারহানুল ইসলাম, আলি তারিক, ইমতিয়াজ আহমেদ, মেহেদী হাসান, ফয়সাল জামান, সাফউয়াত আদিবা ও নুসরাত জাহান। দলের তত্ত্বাবধানে আছেন একই বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ শহিদুর রহমান।
‘সাস্ট অনুসন্ধান’ দলের সদস্য নাইনাইউ রাখাইন বলেন, ‘২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অর্কা প্রজেক্টের সূচনা। প্রথম দিকে কোনো পরীক্ষামূলক ল্যাব না থাকায় বেশ জটিলতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। বর্তমানে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের কাজ শেষ করে পরীক্ষা ও সেন্সর ক্যালিব্রেশনের (ইনপুট বা আউটপুট সিগন্যালের সঠিক পরিমাপের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া) কাজ চলছে।’
আরেক সদস্য আদ দ্বীন মাহবুব বলেন, ‘অর্কাতে বেশ কিছু হার্ডওয়্যার ও ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। পানির নিচে সঠিক চলাচল নিশ্চিতের জন্য থ্রাস্টার মোটর, উন্নত যোগাযোগ পদ্ধতি, নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য রোবোটিক আর্ম (বাহু), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা টুলস, ক্যামেরা ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়েছে।’
ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে অর্কার সক্ষমতা বাড়াতে চাই।
তবে দীর্ঘ গবেষণা ও পরিশ্রমের পর সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় জায়গা করে নিলেও এখনো অর্থায়নের অনিশ্চয়তায় ভুগছে সাস্ট অনুসন্ধান।