আরিফ হোসাইন, নিউইয়র্ক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: শনিবার , ২৫ জানুয়ারী , ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেওয়ার পরপরই অবৈধভাবে বসবাসকারী ধরপাকড় শুরু হয়েছে।ট্রাম্পের হুশিয়ারি অনুযায়ী দায়িত্ব গ্রহণের নন ডুকুমেন্ট ব্যাপারে অনড় অবস্থানে রয়েছে।
ইতোমধ্যে অবৈধভাবে বসবাসকারী ১৮ হাজার ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ।তবে বাংলাদেশি কী পরিমান অবৈধভাবে বসবাসকারী রয়েছে তার সঠিক হিসাব নেই।
কমিউটি সংশ্লিটদের ধারণা, পাঁচ হাজারের মতো বাংলাদেশি পর্যাপ্ত কাগজপত্র ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। অবৈধ বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই থাকেন নিউইয়র্কে।
এটর্নি মঈন তার ব্যক্তিগত ফেসবুকে নন ডুকুমেন্টেডদের পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, এই সময়ে জটলা পাকানো বা জড়ো হয়ে গল্প করা ঠিক হবে না। ব্যক্তিগত তথ্য কারোর সঙ্গে শেয়ার না করাই ভালো।
এছাড়া কোন প্রকার অপরাধ সঙ্গে জড়িত না হওয়া, ওয়ার্কফার্মিট সঙ্গে রাখা, সোসাল সিকিউরিটি নাম্বার মনে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
একই ধরণের নামের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা। যেমন মোহাম্মদ, হোসাইন, এমডি, হাসান। বিশেষ করে ডেপোটেশন হয়েছে এমন ব্যক্তিদের স্থান পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
অনেকেই নিকট আত্মীয় স্বজনের কারণেও সমস্যা পড়তে হতে পারে।
অতীতে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ভালো না থাকায় স্বামীকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। প্রতিবেশী মাধ্যমেও অবৈধ বসবাসকারীদের সনাক্ত করা হয়। ছদ্মবেশী বাংলাদেশি এজেন্টও অবৈধ বসবাসকারীদের শনাক্ত করতে কাজ করছে ইমেগ্রেশন পুলিশ। তাই অপরিচিত বা পরিচিতি কাউকে নিশ্চিত না হয়ে কোন তথ্য না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তবে যাদের ওয়ার্কফার্মিট আছে বা মামলা চলমান আছে তাদের ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনী কাগজ পত্রের ফটোকপি সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।