প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তিতে আগামী বছরও লটারির ব্যবস্থা বহাল রাখার কথা চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষা প্রশাসন। সোমবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ঢাকার শীর্ষ গণমাধ্যমগুলো
এমন খবর প্রকাশ করেছে। খবর বিডিনিউজ, আজকের পত্রিকা ও জাগোনিউজ।
ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় শিশুদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টির আশঙ্কা থেকে লটারি ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানান কর্মকর্তারা। তাদের ভাষ্য, চলতি মাসেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
এদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে রাতে বলেন, ভর্তিতে পরীক্ষার বদলে লটারি বহাল রাখার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। লটারি বহাল রাখা যায় কি না বা কোন কোন শ্রেণিতে লটারি বহাল রাখা যায়, সে বিষয়ে ভর্তি কমিটিকে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, চলতি বছরের ১৬ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারিপদ্ধতি বাতিল করে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।
সে সময় মন্ত্রী বলেন, ‘বছরের প্রথমে অ্যাডমিশন যেটা হয়, সেখানে আমরা লটারির পরিবর্তে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি। আগাম জানিয়ে দিলাম, যেন সবাই সুযোগ পায়। আমরা লটারি সিস্টেম উইথড্র করলাম।’
২০১১ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে প্রথমবারের মতো লটারির মাধ্যমে ভর্তি চালু করা হয়। ২০১২ সালে বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই ব্যবস্থা কার্যকর হয়। তবে সে সময় দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হতো। পরে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সব শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি শুরু হয় এবং এর পর থেকে একই পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।