প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষক-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নজরদারিতে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি’ গঠন করেছে সরকার। নির্দেশিকা পরিপন্থী, আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য কোনো কনটেন্ট নজরে এলে তা স্ক্রিনশটসহ কমিটির আহ্বায়কের কাছে পাঠাতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সোমবারের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠি অনুযায়ী, মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইংয়ের পরিচালক অধ্যাপক টিপু সুলতানকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারসংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ এবং সরকারি আচরণবিধি অনুসরণ বাধ্যতামূলক। এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা পরিবীক্ষণের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
মাউশির আওতাধীন কোনো শিক্ষক-কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্দেশিকা পরিপন্থী কোনো স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও, পোস্ট বা অন্য কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা প্রচার করলে তা নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে সংরক্ষণ করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কমিটির আহ্বায়ককে জানাতে বলা হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম, পদবি ও কর্মস্থল, ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইলের লিংক, পোস্ট প্রকাশের তারিখ ও সময় এবং পোস্টের স্ক্রিনশটসহ প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ পাঠাতে হবে।
মাউশির নির্দেশনায় এসব তথ্য কমিটির আহ্বায়কের ই-মেইলে পাঠাতে বলা হয়েছে।
চিঠির অনুলিপি মাউশির সব পরিচালক, আঞ্চলিক পরিচালক, অধ্যক্ষ, সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট এবং মহাপরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারীকে (পিএ) দেওয়া হয়েছে।