Logo
ঢাকা রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
Logo

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬

শেয়ার করুনঃ
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ১৫তম বৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রণীত হতে যাওয়া এই আইনের খসড়ায় ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬-এ গুমের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। গুমের ফলে মৃত্যু ঘটলে, মরদেহ পাওয়া গেলে অথবা পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড আরোপের বিধান এ আইনে যুক্ত করা হয়েছে।

 

এই আইনের মাধ্যমে মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা, ব্যক্তি-স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬-এ গুমকে একটি স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য, জামিন-অযোগ্য ও আপস-অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। এ আইন গুম প্রতিরোধ, দায়ী ব্যক্তিদের বিচার, গুম হওয়া ব্যক্তির সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করবে।

 

আইনটিতে গুম হওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য আদালতের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা জারি, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার, ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা এবং সাক্ষী, অভিযোগকারী, তথ্য প্রকাশকারী ও ভুক্তভোগীর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

ভুক্তভোগীদের তদন্তের অগ্রগতি, ঘটনার প্রকৃত তথ্য এবং গুম হওয়া ব্যক্তির অবস্থান বা পরিণতি জানার অধিকার স্বীকৃত হয়েছে। তাদের জন্য সরকারি আইনগত সহায়তা, চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠন এবং দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তা সম্ভব না হলে রাষ্ট্র কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

 

এছাড়া, এ আইনে গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী ও নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্পত্তি ব্যবহারের অনুমতি, পাঁচ বছর পর উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের জন্য গুম সনদ প্রদান, কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার সংরক্ষণ এবং গুমসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এ আইনে সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্নকরণ এবং সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করার বিধান রাখা হয়েছে।


Campus Mirror
শেয়ার করুনঃ

এই বিভাগের আরোও খবর

  • শিক্ষক সংকট কমাতে খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল গড়বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
    শিক্ষক সংকট কমাতে খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল গড়বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  • বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ ফান্ডের টাকা বিতরণ শুরু
    বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ ফান্ডের টাকা বিতরণ শুরু
  • শিক্ষকদের পেনশন পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী
    শিক্ষকদের পেনশন পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী
  • এসএসসির ফল প্রকাশ সোমবার, জানা যাবে যেভাবে
    এসএসসির ফল প্রকাশ সোমবার, জানা যাবে যেভাবে
  • র‍্যাব গিয়ে আসছে এসআরবি
    র‍্যাব গিয়ে আসছে এসআরবি
  • শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হতে ফোনে ছাত্রলীগকে নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের
    শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হতে ফোনে ছাত্রলীগকে নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের
  • দিল্লিতে হাসিনার বক্তব্যে ঢাকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া
    দিল্লিতে হাসিনার বক্তব্যে ঢাকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া
  • তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী
    তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী
  • ঢাবিতে ভর্তি আবেদন ১১ নভেম্বর থেকে, পরীক্ষা শুরু ৫ ডিসেম্বর
    ঢাবিতে ভর্তি আবেদন ১১ নভেম্বর থেকে, পরীক্ষা শুরু ৫ ডিসেম্বর
  • প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
    প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
Logo